জনবল সংকট নিয়েই চলছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

শরীফ আহমদ, দক্ষিণ সুরমা:: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা নৈখাইস্থ উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের পাশে ২০১০ সালে ৪ জুলাই ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সিলেট-৩ আসনের সাবেক এমপি প্রয়াত মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।
১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বিগত ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোলাপগঞ্জের এক জনসভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন । সিলেট শহর থেকে ৯ কিমিঃ দুরত্ব উপজেলাবাসী একমাত্র ভরসা এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে স্বাস্থ্য দোড়গোরায় স্বাস্থ্য সেবায় পৌছে দিতে নানান মূখী স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে । কিন্তুু নানা সমস্যায় জর্জরিত ও জনবল সংকট নিয়ে চলছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা কার্যক্রম। দীর্ঘ ৮ বছরেও আধুনিকায় ও দৃষ্টিনন্দিত বিল্ডিং থাকলেও বুঝার উপায় নেই, এখানে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারন জনগন।
এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংযোগিতে আছেন মেডিকেল অফিসার সিলেট এমজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে, এছাড়াও সিলেট শহীদ সামসুউদ্দিন হাসপাতালে সংযোগিতে ২জন আছেন।
সিনিয়র স্টাফ নার্স ৩জন সংযোগিতে আছেন গোলাপগঞ্জ স্বাস্থ কমপ্লেক্সে। নিরাপত্তা নাইটগার্ড তাকলেও নেই টিকেট কাউন্টারে কর্মকর্তারা,পরিচ্ছন্নতা কর্মী মধ্যে ২জনের মধ্য ১জন বদলীতে।
আয়া ২ জনের মধ্যে ১ জন আছেন। ল্যাব টেকশিয়ান ও স্ট্রোক কিপারও নেই। রোগী যাতায়াত কারী এম্বুলেন্স থাকলে নেই গাড়ী চালক। খাবার সরবরাহকারী বার্বচি নেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে করোনা আইসোলিশন ও করোনা টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সবকিছু থাকাবস্থায়ও জনবল সংকটে অভাবে স্বাস্থ্য সেবা বেহাত ঘটছে ।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মোঃ মঈনুল আহসান বলেন, ‘৩১ শয্যার জনবল দিয়েই ৫০ শয্যার অনুমোদন পেলে শীর্ঘই কার্যক্রম শুরু হবে। ৩১ শয্যার জনবলেও বেশ কিছু পদ শূন্য আছে। বর্তমানে অক্সিজেন কার্যক্রম চলছে। এছাড়াও প্রবাসীদের সহযোগিতা করা হয়।

একাত্তরের কথা/এমএইচ